বানিও’র আয়োজনে ক্লিভল্যান্ডে থার্টি ফার্ষ্ট নাইট উৎযাপন


ওহাইও সংবাদ প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৪, ১০:২৩ অপরাহ্ণ /
বানিও’র আয়োজনে ক্লিভল্যান্ডে থার্টি ফার্ষ্ট নাইট উৎযাপন

ওহাইও সংবাদ : বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব নর্থইস্ট ওহাইও (বানিও)’র জমজমাট আয়োজনে ক্লিভল্যান্ডে পালিত হলো থার্টি ফার্স্ট নাইট। প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনের মাঝে একটু বিনোদনের আশায় থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের জন্য বন্ধু-পরিবার পরিজন নিয়ে এ মিলন মেলায় উপস্থিত হয়ে মেতে উঠেছিলেন ক্লিভল্যান্ডে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশি।


থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের জন্য সন্ধা থেকে একের পর এক পরিবার এসে জড়ো হয় স্থানীয় বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট স্যাফরন প্যাচ এর হল রুমে। নতুন বছরকে বরণ করতে সন্ধা ৭ টায় শুরু হয় জাঁকজমকসাংস্কিৃক অনুষ্ঠান। নাচ, গান, কবিতা আবৃতি দিয়ে সাজানে হয় পুরা অনুষ্ঠান। তবে পুরা অনুষ্ঠান মুল আকর্ষণ ছিল মিশিগান থেকে আগত ব্যান্ড দল ‘রিদমঅব বাংলাদেশ’।
প্রথমে সকলের মঙ্গল কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন ডা: মঈনউদ্দিন মুনশী। এরপর বানিও’র বার্ষিক সাধারণ সভায় আয়-ব্যায়ের হিসাব উপস্থাপন করেন ডা: তিতাস মাহমুদ ও পাভেল। উল্লেখ্য, কিছ ু প্রশাসনিক জটিলতার কারনে ক্লিভল্যান্ডের একমাত্র বাংলাদেশি সংগঠন ‘বানিও’র আগে থেকেই সকলের কাছে নতুন নাম আহ্বান করা হয়ে ছিলো। সংক্ষিপ্ত সাধারণ সভা শেষে বানিও’র উপদেষ্টা পর্ষদের পক্ষে সেতারা হাসান ও সাহেলিয়া মোমিন সকলের মতামত ও ভোটের মাধ্যমে বানিও’র নতুন নাম ‘নোবা’ – NOBA ‘নর্থইস্ট ওহাইও বাংলাদেশ এসোসিয়েশন’ ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত সবার করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে অনুস্থানস্থল। এর পর তাঁরা নোবা’র নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন-সভাপতি জাহিদুল ওয়াহাব রুবেল, সহ-সভাপতি নোমান হাসান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আরবাব, মো: শিহাব, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাবরিনা পারভীন লিজা এবং অর্থ সম্পাদক তানিয়া আলম। এ পর্বের শেষে বানিও’র পক্ষে নতুন নোবা’র নতুন কার্যকরী পরিষদকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এরপর একের পর এক গান ও নাচ পরিবেশনা করেন স্থানীয় শিল্পিবৃন্দ। প্রথর পর্বে স্থানীয় শিল্পীদের মধ্যে গান পরিবেশন করেন জাহিদুল ওয়াহাব রুবেল, মুক্তিযোদ্ধা মিনহাজ উদ্দীন, সিমলি বড়ুয়া, সামিহা আলম এবং ছোট সোনা নিহাদ। গিটারে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় ছিলো সকলের প্রিয় আনিশা বড়ুয়া। নাচ পরিবেশন করে সবার আদরের নেহা, যায়রা ও আদিতি। কবিতা আবৃত্তি করে কথন ও অভিশ্রী মম। এ পর্বের চমৎকার আকর্ষণ ছিলো ছোট্ট সোনাসুহা, তাহিয়া এবং অভিশ্রীমম’র দলীয় নাচ। এ পর্বের শেষে রাতের খাবারের জন্য বিরতি দেওয়া হয়।
রাতের খাবার শেষে মঞ্চে আসেন মিশিগানের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘রিদম অব বাংলাদেশ’। তাঁরা প্রায় আড়াই ঘন্টা একে একে পরিবেশন করেন বাংলাদেশ জনপ্রিয় কিছু গান। নাচ আর গানের ঝঙ্কারে অনুষ্ঠান স্থল পরিনত হয় বাঙালির প্রাণের মিলন মেলায়। শেষে চমৎকার কিছু পুরস্কারসহ ছিল র‌্যাফেলড্র। সর্বশেষ রাত ১২টা ১ মিনিটে কেক কেটে অনুষ্ঠনের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।